দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভোলার তজুমদ্দিনে মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়ে ২১ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য প্রশাসন। এ সময় তিনটি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। আটক ট্রলারগুলো মৎস্য অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মহিষখালী মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বনি আমিনের নেতৃত্বে মৎস্য প্রশাসনের একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে ২১ জেলেকে আটক করা হয়। পাশাপাশি তিনটি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল জব্দ করা হয়। পরে শশীগঞ্জ মৎস্যঘাটে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক জেলেদের মধ্যে ১৮ জনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন মো. শিপন (৩২), মো. সজিব (১৯), মো. কাশেম (৩৩), মো. ফয়সাল (২৫), মো. সোহাগ (২৫), নুর ইসলাম (২৫), আকবর (২০), মো. রাশেদ (২০), মনির (২৮), মো. আইয়ুব (২৮), ইব্রাহীম মাঝি (৫২), মো. রফিক (৪০), মো. শরীফ (২৮), মো. হাফিজ (৩৪), মো. মাকসুদ (৪৮), মো. শাহাদাত (২০), মো. ফারুক (৬৫) ও মো. কামাল (৬২)। তাঁদের সবার বাড়ি তজুমদ্দিন উপজেলায়।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বনি আমিন বলেন, মেঘনা নদীতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে সরকারি আইন অমান্য করে কেউ মাছ শিকার করলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এমএস/